All posts by dreamboy

কাবাশরীফে জনাসমাগম না থাকায় সৌদি নাগরিকদের মন খারাপ, বিশ্লেষণ জেরুজালেম পোস্টের

‘মনে হচ্ছে আল্লাহ আমাদের আর চান না’, এমন আঁকুতি অনেক সৌদি নাগরিকের। মক্কা ও মদিনা ফাঁকা এমন চিত্র তারা কল্পনায় আনতে পারছেন না। আরব দেশগুলো জুড়ে চলছে করোনাভাইরাস লকডাউন। সবাই ঘরে বন্দী হয়ে রয়েছে। জেরুজালেম পোস্ট

মসজিদে নববীতে গত সপ্তাহে ইমাম আহমেদ বিন তালেন হামিদ যখন বলেন, যখন মানুষ ক্ষমা চাইতে থাকে তখন আল্লাহ কখনো তাদের শাস্তি দেন না। তাদের মাঝে যখন আল্লাহর নবী (সাঃ) উপস্থিত থাকেন তখন তারা শাস্তিপ্রাপ্ত হয় না। উপস্থিত স্বল্প কিছু মানুষ তখন কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

পুরো মুসলিম বিশ্বের কোনো মুসল্লি এখন মক্কা ও মদিনায় যেতে পারছেন না। আগামী হজের আয়োজন হবে কি না তা নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এজন্যে বিশ্বের সব মুসলমানদেরই মন খারাপ। কারণ তাদের অনেকে হজের নিয়ত করে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।

ইসলাম ধর্মে ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাবে সাবধানতা অবলম্বন বাধ্যবাধকতা। নবীজি (সা:) বলেছেন, সেইসব জাতির দিকে তাকাও যারা ভাইরাসকে গুরুত্ব দেয়নি, যার আক্রমণে শুরুতেই তাদের শতশত মানুষকে প্রাণ হারাতে হয়েছে।

সুতরাং জুম্মার নামাজ বাতিলের চেয়েও কি কঠিন কিছু আছে? হ্যা আছে। আরবের দেশগুলোতে এজন্যেই আনন্দ উদযাপন ও বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। এগুলো কষ্টকর হলেও এরচেয়েও কষ্টকর হচ্ছে মানুষের মৃত্যুর ঘটনা।

সব রুট বন্ধ, বাংলাদেশ থেকে প্লেন উড়বে শুধু চীনে

করোনাভাইরাসের বিস্তাররোধে দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) থাইল্যান্ড, চীন, হংকং ও যুক্তরাজ্য বাদে বাকি সব দেশের ফ্লাইট আগমন বাতিল করেছিল। এর মধ্যে হংকং ও থাইল্যান্ড রুটে যে দুটি এয়ালাইন্স ফ্লাইট চালাতো, তারাও কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। শেষে ছিল কেবল যুক্তরাজ্য ও চীন। যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার ও লন্ডন রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স যে ফ্লাইট পরিচালনা করতো, সেই ফ্লাইটও স্থগিত করা হয়েছে। ফলে আগামীকাল রোববার (২৯ মার্চ) থেকে চীন ছাড়া আর কোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের প্লেন চলাচল থাকবে না।

চীনের উহান শহর থেকে (করোনাভাইরাস) ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ ওই রুটে প্লেন চলাচল বন্ধ করে দেয়। পরে এই ভাইরাস যে দেশে গেছে, সেই দেশের সঙ্গে প্লেন চলাচল স্থগিত করে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো। এই অবস্থা বিবেচনায় গত ২১ মার্চ রাত ১২টা থেকে চীন, যুক্তরাজ্য, থাইল্যান্ড ও হংকং বাদে সব আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইট বন্ধ ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকার।

সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে যে চার দেশ বা অঞ্চলে ফ্লাইট চলাচলের অনুমতি ছিল তার মধ্যে চীনা রুট বাদে বাকিগুলোতে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলোই ফ্লাইট বন্ধ করে দেয়। তাদের সিদ্ধান্তের কারণে ২৯ মার্চ থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কেবল চীনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে ফ্লাইট।

jagonews24

বাংলাদেশ থেকে চীনে বর্তমানে তিনটি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট চলাচল করে। প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো- ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, চায়না ইস্টার্ন ও চায়না সাউদার্ন। তবে যাত্রী সংকটের কারণে সপ্তাহে এই তিন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সংখ্যা ১৮ থেকে তিনে নেমে এসেছে।

চায়না সাউদার্ন ও চায়না ইস্টার্ন সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে গুয়াংজু রুটে চলাচলকারী চায়না সাউদার্ন এখন থেকে বৃহস্পতি ও শনিবার অর্থাৎ সপ্তাহে দুটি ফ্লাইট চালাবে। চায়না ইস্টার্ন ঢাকা-কুনমিং রুটে একটি অর্থাৎ প্রতি বৃহস্পতিবার ফ্লাইট চালিয়ে যাবে। আগে এই রুটে চায়না ইস্টার্নের সপ্তাহে চারটি ফ্লাইট চললেও ১০ দিনে তাদের পাঁচটি ফ্লাইটের মধ্যে চারটিই যাত্রী সংকটের কারণে বাতিল হয়েছে।

এছাড়া চীন রুটে ইউএস-বাংলা আগে সপ্তাহে সাতটি ফ্লাইট চালিয়ে এলেও এখন তারা সপ্তাহে একদিন অর্থাৎ প্রতি রোববার গুয়াংজু রুটে ফ্লাইট চালাবে।

ইউএস-বাংলা গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক (জিএম-পিআর) কামরুল ইসলাম জাগো নিউজকে জানান, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ২৯ মার্চ থেকে কেবল প্রতি রোববার ঢাকা-গুয়াংজু রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করবে। আগে এই রুটে ইউএস-বাংলা সপ্তাহে সাতটি ফ্লাইট পরিচালনা করতো। করোনার প্রভাবে এই সংখ্যা কমিয়ে তিনে আনা হয়েছিল। এই সংখ্যা বর্তমানে এক করা হয়েছে।

সরকারের নিষেধাজ্ঞার পর দেশে কেবল চার দেশের এয়ারলাইন্সগুলোই চলাচল করতো। তবে ঢাকা-ব্যাংকক রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, থাই লায়ন এয়ার আগে থেকেই ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রেখেছিল। সর্বশেষ ২৬ মার্চ ফ্লাইট বন্ধ ঘোষণা করে থাই এয়ারওয়েজ।

হংকং থেকে ঢাকায় আসা ক্যাথে প্যাসিফিকের ফ্লাইটটি শনিবার রাতে শেষবারের মতো বাংলাদেশে নামবে। পরে যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে হংকং চলে যাবে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত তারাও আর ঢাকায় আসবে না।

jagonews24

ঢাকা থেকে লন্ডন ও ম্যানচেস্টার শহরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট চলতো। তবে ২৯ মার্চ লন্ডন থেকে ফ্লাইট বাংলাদেশে ফেরার পর এই দুই রুটের ফ্লাইট চলাচলও বন্ধ করে দেবে বিমান।

দেশের বিমান চলাচলের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে চাইলে বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, এই দেশগুলো করোনার প্রাদুর্ভাব থেকে অপেক্ষাকৃত কম ঝুঁকিপূর্ণ। তাই এ রুটে যাত্রী আসা-যাওয়া চালু রাখা হয়েছিল। তবে এয়ারলাইন্স কোম্পানিগুলো নিজ উদ্যোগে নিজেদের ফ্লাইটগুলো বন্ধ ঘোষণা করেছে। আমরা সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। যদি চলমান কোনো ফ্লাইটে (চীন) ঝুঁকি মনে হয় তাহলে আমরা সেই ফ্লাইটও বন্ধের সিদ্ধান্ত নেব।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে শাহজালাল ছাড়া দেশের অন্য দুই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চট্টগ্রামের শাহ্ আমানত ও সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আর কোনো ফ্লাইট চলাচল করবে না। দেশি-বিদেশি নিষেধাজ্ঞার পর একমাত্র বিমানের লন্ডন ফ্লাইটটি সিলেটে অবতরণ করতো। ২৯ মার্চ লন্ডন থেকে আসা সর্বশেষ ফ্লাইটটি সিলেটে নামবে। বিমানের ফ্লাইট বন্ধের সিদ্ধান্তের পর সিলেট বিমানবন্দরও ফ্লাইটশূন্য হতে যাচ্ছে।

দেশের অন্য দুই এয়ারলাইন্সের মধ্যে রিজেন্ট এয়ারওয়েজ তিন মাসের জন্য সব ধরনের ফ্লাইট অপারেশন বন্ধ রেখেছে। এছাড়া সরকারি নিষেধাজ্ঞার কারণে বেসরকারি বিমান সংস্থা নভোএয়ারেরও সব ফ্লাইট বন্ধ রয়েছে।

ইউরোপে লকডাউনে স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্ব বাড়ছে

ইউরোপের দেশগুলোতে গৃহদ্বন্দ্ব ও সহিংসতার ঘটনা বাড়ছে। করোনাভাইরাস ঠেকাতে লকডাউনের মধ্যে ঘরবন্দি হয়ে পড়ায় নারী-পুরুষ বিশেষ করে স্বামী-স্ত্রীদের মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হচ্ছে।

এর থেকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। এমনকি কখনও কখনও খুনোখুনি পর্যন্ত গড়াচ্ছে। নির্যাতনের হাত থেকে মুক্তি পাচ্ছে না শিশু-কিশোররাও। এ ধরনের পারিবারিক সহিংসতা ফ্রান্সে ইতোমধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে ৩০ শতাংশ।

করোনাভাইরাস মহামারির উৎপত্তিস্থল চীন হলেও বর্তমান এর কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠেছে ইউরোপ।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় ব্রিটেন, জার্মানি ফ্রান্স, স্পেস, ইতালিসহ পুরো অঞ্চল সিলগালা করে ফেলা হয়েছে। এতে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছে কোটি কোটি মানুষ। এই পরিস্থিতিতে পারিবারিক সহিংসতা বৃদ্ধির আশঙ্কা ও সতর্কতা জারি করেছে ইউরোপে সহিংসতার শিকার ব্যক্তিদের সহায়তা প্রদানকারী সংস্থাগুলো।

জার্মান ফেডারেল অ্যাসোসিয়েশন অব উইমেনস কাউন্সেলিং সেন্টার্স অ্যান্ড হেলপলাইনস (বিএফএফ) বলেছে, ‘এই মুহূর্তে বহু মানুষের জন্য তাদের বাড়িই আর নিরাপদ নয়।

এএফপি বলেছে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে গিয়ে মনের ওপর চাপ পড়ছে। দুশ্চিন্তা বাড়ছে। নারী ও শিশুদের ওপর পারিবারিক ও যৌন সহিংসতার ঝুঁকিও এতে করে বাড়ছে।

মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলো বলছে, এই ঝুঁকি শুধু বাড়িতে সীমাবদ্ধ নেই। স্বেচ্ছায় বন্দী থাকার এই কষ্টের পাশাপাশি সামনের দিনে চাকরির নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমস্যা বাড়বে। এসব সমস্যা ঘরে চাপ বাড়াচ্ছে।

চীনের নারী অধিকার প্রতিষ্ঠান উয়েইপিং জানিয়েছে, করোনার মধ্যে নারীদের ওপর সহিংসতার হার তিন গুণ পর্যন্ত বেড়েছে। জার্মান ফেডারেশন বলছে, শিশু-কিশোর ও নারীরা যারা এখন মানসিক ও শারীরিকভাবে পারিবারিক সহিংসতার শিকার হচ্ছে, তাদের আসলে নির্যাতকেরা হাতের কাছে পাচ্ছে।

ফ্রান্সের প্যারিসের লা ভোয়া ডি লোফোঁর প্রধান মার্টিন বোরসাঁ বলেন, ‘নির্যাতিত শিশু-কিশোরদের এখন দেখার কেউ নেই।

অধিকারকর্মীরাও এখন উভয়সংকটে। তাদের বড় অংশই বাসা থেকে কাজ করছেন। তারা নির্যাতনের শিকার মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না। সহিংসতার শিকার কাউকে আশ্রয় দেয়ার জন্য পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নেই।

করোনাভাইরাসে এবার বিশ্বে কনডম সংকট, মজুদ চলবে মাত্র ২ মাস

বিশ্বে চীন ও ভারতে সবচেয়ে বেশি কনডম উৎপাদন হয় কিন্তু এ দুটি দেশে করোনাভাইরাসের কারণে কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহে ঘাটতি পড়তে যাচ্ছে জন্মনিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত এ সামগ্রী। ইতিমধ্যে মজুদকৃত কনডমের ৫০ শতাংশ শেষ হয়ে গেছে। ব্লুমবার্গ

মালয়েশিয়ার কারেক্স পিএইচডি বিশ্বের এক পঞ্চমাংশ কনডম উৎপাদন করে থাকে। এক সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর তাদের এ কারখানাটি ফের খুলেছে। কিন্তু এ কারখানার অর্ধেক কর্মী করোনাভাইরাসে লকডাউন হয়ে আছে। ফলে এর প্রভাব পড়েছে পণ্যটি উৎপাদনে। মালয়েশিয়া স্টার

কারেক্সের সিইও গোহ মিয়া কিয়াট জানান, কনডমের চাহিদা দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ার কারণ হচ্ছে ঘরে বন্দী মানুষ অনিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্যে জন্মনিয়ন্ত্রণে অধিক মনোযোগ দিয়েছে। বছরে কারেক্স ৫ বিলিয়ন কনডম তৈরি করে যা ১৪০টি দেশে বিক্রি হয়। বিভিন্ন দেশ সীমান্ত ও বিমান যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পণ্যটি সরবরাহেও ঘাটটি পড়েছে। এধরনের পরিস্থিতি অপ্রত্যাশিত এবং আমরা এর আগে কখনো এমনটা দেখিনি। দি সান

মি: কিয়াট সাবধান করে বলেন কনডমের দাম বেড়ে যেতে পারে। কারণ শ্রমিকদের পূর্ণ বেতন দিলেও অর্ধেক সময়ে তার কাজ করছে বলে উৎপাদন খরচও বেড়ে যাচ্ছে। ডেইলি মেইল

সেই তিন বৃদ্ধের বাড়িতে গিয়ে ক্ষমা চাইলেন ইউএনও, দিলেন চাল

মাস্ক না পরায় কান ধরিয়ে ছবি তোলা সেই তিন বৃদ্ধের বাড়ি গিয়ে ক্ষমা চাইলেন মনিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আহসান উল্লাহ শরিফী। শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে তিনি উপজেলার চিনাটোলা এলাকায় ওই তিন বৃদ্ধের বাড়ি যান।

ইউএনও আহসান উল্লাহ শরিফী শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলের ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়ে তিন পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল দেন। তাদের নিরাপদে বাড়িতে থাকার জন্য বলেন। এরপর যদি খাবার ফুরিয়ে যায় তাহলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য বলেন। তাদের বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেয়ারও প্রতিশ্রুতি দেন ইউএনও।

এর আগে শুক্রবার বিকেলে মনিরামপুরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইয়েমা হাসানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালান। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চিনাটোলা বাজারে অভিযানের সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের সামনে পড়েন প্রথমে দুই বৃদ্ধ। এর মধ্যে একজন বাইসাইকেল চালিয়ে আসছিলেন, অপরজন রাস্তার পাশে বসে কাঁচা তরকারি বিক্রি করছিলেন। তাদের মুখে মাস্ক ছিল না।

এ সময় পুলিশ ওই দুই বৃদ্ধকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করলে সাইয়েমা হাসান শাস্তি হিসেবে তাদের কান ধরিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখেন। শুধু তাই নয়, এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই তার মোবাইল ফোনে এ চিত্র ধারণ করেন। এছাড়া পরে অপর এক ভ্যানচালককে অনুরূপভাবে কান ধরিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখেন।

এ ঘটনার ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এর জেরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইয়েমা হাসানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

মুক্ত হাওয়ায় খালেদার গৃহকর্মী ফাতেমা

২০১৩ সাল থেকে যেখানে বিএনপি চেয়ারপারসন সেখানেই তার গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম। প্রতিকূল-অনুকূল সব পরিস্থিতিতেই বেগম জিয়ার নিত্যসঙ্গী ফাতেমা। দলীয় কর্মসূচি কিংবা আদালত সব জায়গাতেই ছিলেন এই গৃহকর্মী। বেগম জিয়ার সঙ্গে দীর্ঘ ২ বছরেরও বেশি সময় জেল জীবনকে নিজের সঙ্গী করেছিলেন ফাতেমা। গতকাল তিনিও মুক্ত হলেন খালেদা জিয়ার সঙ্গে। কিন্তু মুক্তি পেলে কি হবে? সঙ্গী হিসেবে আছেন খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায়ও। অবশ্য বেগম জিয়া তার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দারের গাড়িতে গেলেও গৃহকর্মী ফাতেমা যান অন্য গাড়িতে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা বেগম জিয়ার সব প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে তিনি অন্য গাড়িতে করে ফিরোজায় উঠেন।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি। দিনটি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারাবাসের। তার কারাবন্দীর সঙ্গে গৃহপরিচারিকা ফাতেমাকেও যেতে হয় জেলে। কারাগার ও হাসপাতালে থেকে দীর্ঘ ৭৪ দিন সঙ্গ দিয়েছেন খালেদা জিয়াকে। জেলে যাওয়ার পরপরই ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে ব্যক্তিগত গৃহ পরিচারিকা হিসেবে ফাতেমা বেগমকে রাখার অনুমতি পান বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়ার আইনজীবীর আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামান এই নির্দেশ দেন।
এরপর থেকেই কারাগারে খালেদা জিয়ার একমাত্র সঙ্গী ফাতেমা। এ নিয়ে গণমাধ্যমেও নানা আলোচনা হয়। খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ফাতেমাকে নিয়ে কথা বলেন।

জানা যায়, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের মধ্যেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) একই কেবিনে থেকে ৭৫ বছর বয়সী নানা রোগে আক্রান্ত খালেদা জিয়াকে সহায়তা করেছেন। তাকে বাথরুমে ধরে নিয়ে যাওয়া থেকে মুখে তুলে ওষুধ খাওয়ার কাজ করেন এই ফাতেমা। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, ডায়াবেটিকসহ নানা রোগে আক্রান্ত খালেদা জিয়া রোজা রাখছেন। তবে হাসপাতালের দেওয়া খাবার তিনি খেতেন না। তার সঙ্গে থাকা গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম প্রতিদিন তার পছন্দের ইফতার তৈরি করে খাওয়াতেন।

ঢাকার গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’ থেকে ২৫ মাস আগে দুর্নীতি মামলার রায় শুনতে আদালতে গিয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। সেদিনও গাড়িতে সঙ্গী ছিলেন খালেদার সেবিকা ফাতেমা। সেখান থেকে কারাগারে। সরকার গত মঙ্গলবার বিএনপি চেয়ারপারসনকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়। বিএনপি নেত্রীর জন্য প্রস্তুত করা হয় ফিরোজা বাসভবনটি। খালেদা জিয়ার সঙ্গে ফাতেমাও উঠেন সেই বাসায়।

রাঙামাটিতে জনসংহতি’র সাবেক কর্মীকে গুলি করে হত্যা

রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে আবারো একটি আঞ্চলিক দলের এক সাবেক কর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) রাত আনুমানিক নয়টার দিকে উপজেলার রূপকারি ইউনিয়নে নিজ বাসায় একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত গুলি করে হত্যা করে। এ সময় তার স্ত্রীও আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। 

নিহত ব্যক্তির নাম ভূষন চাকমা দুদোরবু (৪০)। সে দিন পনের আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এমএনলারমা)’র সহযোগী সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব সমিতি থেকে বহিষ্কৃত হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটির বাঘাইছড়ি উপজেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক যোশি চাকমা। তবে সে সংগঠনটির সমর্থক বলেও নিশ্চিত করেছেন যোশি।

যোশি চাকমা জানিয়েছেন, ভূষণ চাকমা রাতে স্ত্রী সহ এক প্রতিবেশীর বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখানে রূপকারি বিজয়ঘাট এলাকায় নদী পার হয়ে এসে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতির সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা তাকে গুলি করে হত্যা করে। এ সময় তার স্ত্রীর শরীরেও গুলি লেগেছে বলে জেনেছি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এমএনলারমা)’র অন্যতম শীর্ষ নেতা ও বাঘাইছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান সুদর্শন চাকমা জানিয়েছেন, নিহত ভূষণ আমাদের সমর্থক। তাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতি নির্মমভাবে হত্যা করেছে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচার দাবি করছি।

বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম এ মনজুর হক জানিয়েছেন, ফোনে বিষয়টি জেনেছি। নির্মল চাকমা ছেলে ভূষণ চাকমা দুদোরবু নামের এক জেএসএস (এমএনলারমা) সমর্থককে গুলি করে হত্যা করেছে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা। তার মূল বাড়ি বঙ্গলতলী হলেও সে পরিবার নিয়ে রূপকারিতে থাকতো। তার স্ত্রীও গুলিতে আহত হয়েছে বলে শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এ বিষয়ে জানার জন্য সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির একাধিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করেও তাদের কারো মোবাইল  খোলা পাওয়া যায়নি।

করোনা আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ছে চীনারা, ভাড়া সাড়ে ২৫ লাখ!

করোনাভাইরাস ভয়াবহ আকার আকার ধারণ করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। অপর দিকে চীনে দিনে দিনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা শূন্যে নেমে আসছে। এমন অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভাড়া বিমানে নিজ দেশে ফিরে আসতে চায় আমেরিকায় অবস্থানরত চীনা শিক্ষার্থীরা। আর সেজন্য তাদের মাথাপিছু গুনতে হবে ৩০ হাজার ডলার বা ২৫ লাখ, ৪৩ হাজার ৫৫৯ টাকা!

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ভাইরাস দিনে দিনে বিস্তার লাভ করায় দেশটিতে অবস্থানরত চীনের শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়। আর এজন্য চীনে ফিরতে প্রাইভেট বিমানের (জেট বিমানের) এক একটি আসনের জন্য ৩০ হাজার মার্কিন ডলার খরচ করতে হবে। চীনের ধনী পরিবারের ওই শিক্ষার্থীরা তাদের পরিবারকে বুঝিয়ে এই টাকা সংগ্রহ করতে চায়।

জেফ গং নামের চীনের সাংহাইয়ের এক আইনজীবীর মেয়ে উইসকনসিন সিটিতে একটি হাইস্কুলে পড়াশুনা করে। তিনি তার মেয়েকে প্রশ্ন করেছেন যে, ১ লক্ষ ৮০ হাজার উয়ান বা ৩৬ হাজার ৭০০ ইউএস ডলার (মেয়ে) পকেট খরচের জন্য দরকার নাকি সে বাড়ি আসার জন্য বিমান ভাড়া চায়?

তিনি বলেন, আমার মেয়ে আমাকে জানিয়েছে ‘বাবা আমি বাড়ি যাবো।’ আমার মেয়ে বাড়ি ফেরার জন্য আমার কাছে আকুতি জানিয়েছে।

আকাশপথের তথ্য দান কারী প্রতিষ্ঠান ভ্যারি ফ্লাইটের তথ্যমতে, মঙ্গলবার পর্যন্ত চীনে আসা এবং চীন থেকে যাওয়ার জন্য মোট ৩৮০০ ফ্লাইটের মধ্যে মোট ৩১০২ টা ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

চার্টার ফ্লাইটগুলির জন্য একটি বৈশ্বিক বুকিং সেবা সংস্থার কমার্শিয়াল পরিচালক এ্যানেলিস গার্সিয়া জানিয়েছেন, দেশে ফেরার জন্য বিমান চলাচলের অভাব থাকায়, শিক্ষক শিক্ষার্থীরা নিজেরা গ্রুপ গ্রুপ করে ব্যক্তিগত চার্টার্ট বিমান ভাড়া নিতে চাচ্ছে।

এয়ার চার্টার সার্ভিসের গণযোগাযোগ ও বিজ্ঞাপন ম্যানাজার গ্লেন ফিলিপস জানিয়েছেন, আমার যুক্তরাষ্ট্র থেকে চীন পর্যন্ত কয়েকটি প্রাইবেট বিমানের ব্যবস্থা করেছি। যেগুলো নিউ ইয়র্ক ও বোসটন থেকে সাংহাই, সান জোশে থেকে হংকং এবং লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে গুয়াংজুর পথে চলাচল করবে।

চীন, ইতালির পরেই করোনায় বেশি সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সতর্ক করেছে, ইউরোপের পর করোনাভাইরাসের বিস্তারের নতুন কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। ডব্লিউএইচও মুখপাত্র মার্গারেট হ্যারিস বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুতগতিতে বাড়তে দেখছি। এ থেকে আশঙ্কা করা যায় যুক্তরাষ্ট্র করোনা বিস্তারের নতুন কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রে ইতিমধ্যেই ৬০ হাজার ৬৫৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ৮১৯ জন।

পার্সেলের বদলে মানুষ এলো রাজশাহীতে!

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে বন্ধ হচ্ছে সব ধরনের গণপরিবহন। এরই মধ্যে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটিও ঘোষণা করেছে সরকার। মানুষজনকে ঘরবন্দি করতে মাঠে নেমেছে প্রশাসনের একাধিক টিম।

তারপরও ঠেকানো যাচ্ছে না রাজধানী ছেড়ে আসা মানুষের স্রোত। বাস-ট্রেন না পেয়ে বুধবার বিকেলে পার্সেল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান আহমেদ কুরিয়ারের ভ্যানে চেপে রাজশাহী ফিরেছে মানুষ। এ কাণ্ডে প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট লসমী চাকমা এ দণ্ড দেন। একই সঙ্গে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত আহমেদ পার্সেল সার্ভিসের সব কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়।

জীবাণুযুক্ত পানি দিয়ে জীবাণুনাশক স্প্রে!

করোনাভাইরাস এর বিস্তার প্রতিরোধে কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌরসভা কর্তৃপক্ষ তৈরি করছে জীবানুনাশক স্প্রে। তবে সেই স্প্রে তৈরি করতে ব্যবহার হচ্ছে ময়লা-আবর্জনায় ভর্তি নোংরা জীবানুমুক্ত পানি।পৌর শহরের স্টেশন রোড সংলগ্ন পৌর কবরস্থানের পূর্ব পাশের নোংরা ডোবা থেকে জীবাণুনাশক স্প্রে তৈরির জন্য পাইপ এর সাহায্যে পানি সংগ্রহ করতে দেখা গেছে। করোনাভাইরাস সংক্রামণ প্রতিরোধে জীবাণুনাশক স্প্রে কর্মসূচির ব্যানারে পৌরসভার গাড়িতে বুধবার দুপুর ২টার দিকে ময়লা পানি তুলেছেন দুজন শ্রমিক। জানতে চাইলে তারা বলেন, কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই এই জায়গা থেকে পানি সংগ্রহ করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বুলবুল আহমেদ বলেন, ডোবার পানি দিয়ে জীবাণনাশক স্প্রে তৈরির করার কোনো নির্দেশনা আছে বলে মনে হয় না। এছাড়াও দূষিত পানি দিয়ে জীবাণুনাশক তৈরি হবে না বরং জীবাণু ছড়াবে। সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

করোন ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির আহবায়ক ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুবনা ফারজানার কালের কণ্ঠকে জানান, ময়লা আবর্জনার পানি দিয়ে কখনোই জীবাণুনাশক তৈরি হবে না। বিষয়টি নিয়ে পৌর মেয়রের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভৈরব পৌরসভার মেয়র এ্যাড. ফখরুল আলম আক্কাছ এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে এ বিষয়ে তিনি অবগত নন বলে জানান। এ ছাড়াও তিনি আরো বলেন জীবাণুনাশক স্প্রে তৈরির জন্য শ্রমিকদেরকে পৌর কবরস্থানের পশ্চিম পাশের বিল থেকে পানি সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তারা যদি পূর্বপাশের ডোবা থেকে পানি সংগ্রহ করে থাকে তবে সেটি অনুচিত। যাচাই করে এবিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।