Home / slider / প্রয়োজন ‘অপারেশন ক্লিন পলিটিক্স’

প্রয়োজন ‘অপারেশন ক্লিন পলিটিক্স’

Loading...

মোস্তফা ফিরোজ : মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্য সাড়া জাগিয়েছে। তিনি খুবই সময়োপযোগী বক্তব্য দিয়েছেন। বিশেষ করে তিনি বলেছেন, দুর্নীতি ও শুদ্ধি অভিযান ঘর থেকেই শুরু হবে। তার মানে তিনি বুঝিয়েছেন দুর্নীতি দুষ্কর্ম করলে দল বা পরিবার যেই হোক না কেন কাউকেই রেহাই দেয়া হবে না। এমন বক্তব্যে সাধারণ মানুষ আশাবাদী হয়েছে। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার কিছু আলামত দেখা যাচ্ছে। কিছু ব্যবস্থা তিনি নিয়েছেন। স্বল্পতম সময়ের ভেতরে দলের সহযোগী সংগঠনগুলো ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দলের কেন্দ্রীয় কাউন্সিলও আছে সামনে।

আমেরিকা থেকে দেশে ফেরার পর বিমান বন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে সম্বর্ধনা জানাতে যাওয়া কিছু নেতার চেহারা দেখেই বোঝা গেছে নতুনভাবে চলতে চায় ৭২ বছরের এই দলটি। তবে একথা সত্য যে, বিচ্ছিন্নভাবে কিছু অভিযান পরিচালনা করলেই দেশ দুর্নীতিমুক্ত হবে না। এই জন্য স্বাধীন, স্বচ্ছ, জবাবদিহীমূলক গণতান্ত্রিক চেতনায় রাজনৈতিক দল ও প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তুলতে হবে। দল ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন কাঠামোতে নিয়োগ প্রক্রিয়া হতে হবে ‘হায়ার ও ফায়ার’ এবং ‘পুরস্কার ও তিরস্কার’ এর ভিত্তিতে। এটা ধারাবাহিকভাবে চলতে হবে। নতুবা দলে ও প্রশাসনে যদি পাহাড় পরিমাণ দুর্নীতি জমা হয় তাহলে সেটা রাতারাতি সরানো কঠিন হয়ে যাবে। রক্তক্ষরণের মাত্রা অনেক বেশি হবে, যা বহন করা কোন কোন সময় কঠিন হয়ে যায়। অন্যরা সেই সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। তাই দুর্নীতি উইপোকা যাতে বাসা বাঁধতে না পারে তারজন্য সব সময় কার্যকর ব্যবস্থা দলে ও প্রশাসনে থাকতে হবে।

চলমান অভিযান ক্যাসিনো, দলে শুদ্ধি নাকি প্রশাসনিক দুর্নীতি বিরোধী অভিযান তা নিয়ে নানা রকম ব্যাখ্যা আছে। কিন্তু এটা সত্য যে দেশকে দুর্নীতি ও অপশাসন থেকে মুক্ত করতে হলে প্রয়োজন অপারেশন ক্লিন পলিটিক্স। এই কাজটি কেবল ক্ষমতাসীনদের না, সব রাজনৈতিক দলেরই। সব রাজনৈতিক দলগুলো যদি নিজ দলে গণতন্ত্র, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করতে না পারে তাহলে রাষ্ট্র ও প্রশাসনে কখনোই স্বেচ্ছাচারিতা, দুর্নীতি ও অনিয়ম দূর করতে পারবে না। ফেসবুক থেকে

(Visited 1 times, 1 visits today)
Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

thirteen + two =