Templates by BIGtheme NET
Home / slider / ভারতে গরু ভক্তি বাড়ায় বাংলাদেশে ভাগ্য খুলেছে লাখো যুবকের (ভিডিও)

ভারতে গরু ভক্তি বাড়ায় বাংলাদেশে ভাগ্য খুলেছে লাখো যুবকের (ভিডিও)

Loading...

সংকট থেকে যে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হতে পারে, তার বড় উদাহরণ বাংলাদেশের গবাদি পশু খাত। চার বছর আগেও দেশের চাহিদার বড় অংশ মিটত প্রতিবেশী দুই দেশ ভারত ও মিয়ানমার থেকে আমদানি করে।

কিন্তু পাঁচ বছর পর এখন বাংলাদেশ মাংস উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ মাংস রপ্তানিও শুরু করেছে।
আর এসব কিছুই সম্ভব করেছে দেশের উদ্যোমী যুবকরা।

২০১৪ সালে ভারতে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশে গরু আসা বন্ধ করে দেয়।আর ভারতের এই সিদ্ধান্তই দেশে গবাদি পশু পালনে বিপ্লব ঘটাতে উৎসাহিত করে।বাজারের চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশে গবাদিপশুর লালনপালন ব্যাপক হারে বেড়ে যায়।

আগে শুধু কোরবানি ঈদের আগে দেশে ২০ থেকে ২২ লাখ গরু-ছাগল বৈধ-অবৈধ পথে বাংলাদেশে আসত। সারা বছরে এই সংখ্যা ৩০ লাখে ছুঁয়ে যেত।

ভারত থেকে গবাদিপশু আসা বন্ধ হওয়ার পর দেশে প্রতিবছর ২৫ শতাংশ হারে গবাদিপশুর খামার বাড়ছে। ছোট–বড় মিলিয়ে এখন খামারের সংখ্যা প্রায় ১২ লাখ। মহিষের উৎপাদনও ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।২০১৮ সালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় মাংস উৎপাদনে বাংলাদেশের স্বয়ংসম্পূর্ণতা ঘোষণা দেয়।

চার বছর আগেও শুধু কোরবানির ঈদের সময় প্রায় ২২ লাখ গরু-ছাগল ভারত ও মিয়ানমার থেকে এসেছিল। অথচ গত ঈদে এসেছিল মাত্র দেড় লাখ। গত তিন বছরে চিত্র এমনই পাল্টেছে যে গত কোরবানির ঈদের হাটে প্রায় ১২ লাখ গরু-ছাগল অবিক্রীত ছিলো।

এবারের ঈদের জন্য এক কোটি ১৭ লাখ ৮৮ হাজার ৫৬৩ পশু প্রস্তুত করেছে খামারিরা।

গরু-ছাগলের উৎপাদন বৃদ্ধির কারণে স্বাভাবিকভাবে এ খাতে বাংলাদেশের বৈশ্বিক অবস্থানেরও উন্নতি হয়েছে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ২০১৭ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছাগলের সংখ্যা, মাংস ও দুধ উৎপাদনের দিক থেকে
বাংলাদেশ বৈশ্বিক সূচকে ধারাবাহিকভাবে ভালো করছে। বাংলাদেশ ছাগলের দুধ উৎপাদনে বিশ্বে দ্বিতীয়। আর ছাগলের সংখ্যা ও মাংস উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ।

আর গরু-ছাগল-মহিষ-ভেড়া মিলিয়ে গবাদিপশু উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বের ১২তম।

শুধু উৎপাদনের দিক থেকেই নয়, গবাদিপশুর জাতগত বৈচিত্র্যের দিক থেকেও বাংলাদেশকে বেশ সমৃদ্ধিশালী দেশ বলছে এফএওসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক সংস্থা এফএও এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ২০১৫ সালের মূল্যায়ন অনুযায়ী, ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল বিশ্বের অন্যতম সেরা জাত।

এ ছাড়া বাংলাদেশ ও ভারতের যমুনাপারি ছাগলকে বিশ্বের অন্যতম সেরা জাত হিসেবে মনে করছে সংস্থা দুটি।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. হীরেশ রঞ্জন ভৌমিক বলেন, ‘কোরবানির পশুর সংকট নয়, এখন কী পরিমাণ গরু অবিক্রীত থাকবে, তা নিয়ে ভাবতে হচ্ছে। কোরবানিতে চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি গবাদিপশু আছে এখন দেশে।

 

ভারতে গরু ভক্তি বাড়ায় বাংলাদেশে ভাগ্য খুলেছে লাখো যুবকের (ভিডিও)

ভারতে গরু ভক্তি বাড়ায় বাংলাদেশে ভাগ্য খুলেছে লাখো যুবকের (ভিডিও)

Posted by ajkersomoy.com আজকের সময় ডট কম on Saturday, August 10, 2019

Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

nine − eight =