Templates by BIGtheme NET
Home / slider / ব্রেক্সিট: বিচ্ছেদ তবু স্বস্তি!

ব্রেক্সিট: বিচ্ছেদ তবু স্বস্তি!

Loading...

অবশেষে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে যুক্তরাজ্যের প্রস্থান চুক্তি হলো। ২০১৬ সালের জুন মাসে গণভোটে যুক্তরাজ্যের মানুষ ইইউ থেকে বিচ্ছেদের পক্ষে রায় দেওয়ার পর, দীর্ঘ আলোচনা শেষে এই প্রস্থান প্রক্রিয়া শেষ হলো। উভয় পক্ষ শেষ পর্যন্ত এই বিচ্ছেদ প্রক্রিয়াই সম্মতি হওয়ায় সবাই স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তবে ইউরোপের এই ২৮ রাষ্ট্রের জোট থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়াকে অনেকেই বেদনাদায়ক বলে মনে করছেন।

জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা ম্যার্কেল রোববার ব্রাসেলসে জানিয়েছেন, ইইউ জোট ছেড়ে যুক্তরাজ্যের চলে যাওয়া দুঃখজনক, তবু ভালো শেষ পর্যন্ত একটি চুক্তির মাধ্যমে এই প্রস্থান প্রক্রিয়া সমাপ্ত হয়েছে। একটি ‘দ্বিধান্বিত অনুভূতি’ নিয়ে তিনি আজ ব্রাসেলসে ইইউ সদর দপ্তরে এসেছেন বলে জানান। তবে ইইউ তাদের শুল্কমুক্ত একক বাজার ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে এবং জোট সদস্য না হয়েও শুল্কমুক্ত বাজারের সুফল ভোগ করবার প্রয়াস রোধ করতে সক্ষম হয়েছেন বলে ম্যার্কেল জানান।

ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি জঁ ক্লদ জাঙ্কার, যুক্তরাজ্যর ইইউ জোট ছেড়ে যাওয়াকে দুঃখজনক বলে অভিহিত করলেও তিনি সুষ্ঠু প্রক্রিয়াই এটি ঘটেছে এবং উভয় পক্ষ সম্মানজনক চুক্তি করতে পেরেছেন বলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

এই বিচ্ছেদ চুক্তির তিন দিন আগে রোববার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে গত বুধবার হঠাৎ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর ব্রাসেলসে এসেছিলেন। তিনি এসেছিলেন রোববার ব্রেক্সিট বিষয় সংক্রান্ত বকেয়া ও কিছু বিতর্কিত বিষয়ে শেষবারের মত নিষ্পত্তির জন্য। ব্রেক্সিট উত্তর সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্র নিয়ে উভয় পক্ষ সেদিন ২৬ পৃষ্ঠার একটি ইশতেহার তৈরি করেন। যাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্য বের হয়ে গেলেও, উভয় পক্ষ বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া ওই ইশতেহারে ভবিষ্যতে ব্রাসেলস এবং লন্ডনের মধ্যে ভবিষ্যতের সম্পর্ক সম্পর্কে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

৪৪ বছর আগে ১৯৭৩ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথের নেতৃত্বে ব্রিটিশ সরকার ইইউ জোটে যোগ দেয়। ব্রিটিশ অনেক রক্ষণশীল ও লেবার দলীয় প্রধানমন্ত্রীরা বিষয়টি কখনোই মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে পারেনি। জোটের একক ইউরোপীয় মুদ্রা ব্যবস্থা ও সেঙ্গেন ভিসা প্রথাতেও তারা নিজেদের যুক্ত করেনি, কিন্তু ইউরোপীয় একক বাজার ব্যবস্থার সুফল তারা সব সময় ভোগ করেছে।

Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

two − 2 =