Templates by BIGtheme NET
Home / slider / নির্বাচনী নাশকতা মোকাবিলায় সরকারের সর্বাত্মক প্রস্তুতি

নির্বাচনী নাশকতা মোকাবিলায় সরকারের সর্বাত্মক প্রস্তুতি

Loading...

নির্বাচনকালীন সম্ভাব্য নাশকতা মোকাবিলায় সরকার সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে। সরকারি কর্মচারীদের দ্বারা বা রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে এই নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হতে পারে-এমন আশঙ্কা রয়েছে সরকারের অভ্যন্তরে। তাই এমন নাশকতা ঠেকাতে আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে সরকার। কেন্দ্র থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ে এই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কেউ কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, বাংলাদেশ সচিবালয় যা সরকারের প্রশাসনিক প্রাণকেন্দ্র সেখানে সরকার বিরোধী মনোভাবাপন্ন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দ্বারা নানা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতে পারে বলে সরকারের কাছে তথ্য রয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া হতে পারে। এ জন্য সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, বিষয়টি নিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকে প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ফোকাল পয়েন্ট খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একজন করে অতিরিক্ত সচিব এর দায়িত্বে থাকবেন। সঙ্গে একাধিক অধঃস্তন কর্মকর্তা ওই টিমের সদস্য থাকবেন। তারা সরকার বিরোধী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের গতিবিধির ওপর নজর রাখবেন। এবং তাত্ক্ষণিকভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে জানাবেন। সচিব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

অপরদিকে জেলা পর্যায়েও সচিব ও অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হবে। মনোনয়নপত্র দাখিলের পরই তারা ঢাকা ছাড়বেন। ইতিমধ্যে সচিব বা অতিরিক্ত সচিব কাকে কোন জেলার দায়িত্ব দেওয়া হবে তা নির্ধারণের কাজও শুরু হয়েছে। তারাও মাঠ পর্যায়ে কর্মরত সরকার বিরোধী মনোভাবাপন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর নজর রাখবেন। প্রয়োজনে তাত্ক্ষণিক ব্যবস্থা নেবেন। পুলিশ প্রশাসন থেকেও অনুরূপ প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে।

সমপ্রতি পল্টনে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনার পর সরকার সবদিক থেকে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে। সরকার মনে করছে নির্বাচনের আগে ও পরে এমনকি নির্বাচনের দিনেও নানা ধরনের অপপ্রচার, উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণহীন করে তোলা হতে পারে। তাত্ক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া বা ঘটনার আগেই তা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখার যাবতীয় কৌশল গ্রহণ করছে সরকার।

Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

5 − four =