মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় আব্বাসের চেয়ে বড় বাধা নেতানিয়াহু : ট্রাম্প

Loading...

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহুকে দুষেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের চেয়ে বড় বাধা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বলে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প।

Loading...

জাতিসংঘের মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠককালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন মন্তব্য করেছেন বলে ইসরায়েলি প্রভাবশালী দৈনিক হার্তেজের এক প্রতিবেদনে বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে।

হার্তেজের প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জাতিসংঘের ৭২তম সাধারণ অধিবেশন চলাকালে গুতেরেজের সঙ্গে গত মাসে নিউ ইয়র্কে এই মন্তব্য করেছেন। একজন পশ্চিমা কূটনীতিক ট্রাম্প-গুতেরেজের বৈঠক সম্পর্কে এই তথ্য দিয়েছেন বলে হার্তেজ জানায়।

হার্তেজ আরো জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি বজায় রাখতে আব্বাস ও নেতানিয়াহু দুইজনই বড় বাধা। তবে ফিলিস্তিনি নেতা আব্বাসের তুলনায় ইসরায়েলি নেতা নেতানিয়াহু বড় সমস্যা বলেও ওই কূটনীতিক জানান। তবে হোয়াইট হাউসের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বিতর্কিত এই মন্তব্য সম্পর্কে নিশ্চিত নয় বলে হার্তেজকে জানান।

হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তা জানান, গত অক্টোবরে ট্রাম্প -নেতানিয়াহু দুইজনই সংক্ষিপ্ত বৈঠক করেছেন। তবে তাদের বৈঠকটি ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘের পূনসংস্কার সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কার্যকরি আলোচনা করেছেন। এ সময় জাতিসংঘে নিয়োজিত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি জাতিসংঘ পূনসংস্কার নিয়ে ভালোভাবে কাজ করেছেন বলেও জানান তিনি।

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেভাবে আগাচ্ছেন তার প্রতি পূর্ণ সমর্থন রয়েছে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর। তিনি জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনেও জানিয়েছেন ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের মধ্যে চলমান সংকট সমাধানে ট্রাম্পের জুড়ি নেই।

একই সঙ্গে নেতানিয়াহু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জামাতা ও ট্রাম্প প্রশাসনের সিনিয়র উপদেষ্টা জ্যারোড কুশনার দারুণভাবে কাজ করছেন বলেও তার প্রশংসা করেছেন। এমন সুসম্পর্কের মধ্যে ট্রাম্প জাতিসংঘের মহাসচিবের সঙ্গে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে ট্রাম্পের এমন নেতিবাচক মন্তব্য কি সত্যি। তাই এখন দেখার অপেক্ষা। দ্য হিল অবলম্বনে

ভিডিওটি দেখতে নিচে ক্লিক করুন

Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*