Templates by BIGtheme NET
Home / slider / মহাসাগরে ট্রেন এল কোত্থেকে!

মহাসাগরে ট্রেন এল কোত্থেকে!

Loading...

ট্রেনগুলোর ‘মৃত্যু’ হলে কোথায় যায়? সঠিক উত্তর পাওয়া কঠিন। তবে সাগরের পানিতে যে বিসর্জন দেওয়া হয় না সেটা নিশ্চিত করেই বলা যায়। অথচ ১৯৮৫ সালে আটলান্টিক মহাসাগরের পানির নিচে পাওয়া গিয়েছিল দুটি ট্রেন। ট্রেন দু’টি নিয়ে বিস্তর গবেষণা হয়েছে। কিন্তু কেউই কিনারা করতে পারেনি কোথা থেকে পানির তলে গেল ট্রেন দুটি। এ পর্যন্ত অনেক ডকুমেন্টারি নির্মিত হয়েছে এ ব্যাপারে। কিন্তু কোনো ব্যাখ্যাই মানুষকে খুশি করতে পারেনি।

পানির নিচে পাওয়া এই ট্রেন দুটি রীতিমতো বিস্ময়ে ঢাকা। অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেও এদের সম্পর্কে তেমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এগুলো কোন দেশে তৈরি, কত সালে তৈরি কিংবা কোন কোম্পানির তৈরি এসব ব্যাপারে কিছুই পাওয়া যায়নি। কেবল ধারণা করা সম্ভব হয়েছে যে লোকোমোটিভ এই ট্রেন দুটি ১৮৫০ সালের দিকে তৈরী। একটি পক্ষের অভিমত, হয়ত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ট্রেন দুটি বিশাল জাহাজে করে কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কিন্তু মহাসাগরের ওই স্থানে পৌঁছানোর পর কোনো যুদ্ধজাহাজ থেকে টর্পেডো ছুড়ে জাহাজটি ধ্বংস করা হয়। ফলে ট্রেন পানিতে ডুবে যায়। এই ব্যাখ্যার সঙ্গে অনেকে একমত পোষণ করেন। কিন্তু যারা এই মতের বিপক্ষে, তাদের প্রশ্ন হচ্ছে জাহাজ যদি টর্পেডো দিয়ে ধ্বংস করা হয় তবে সেই জাহাজ গেল কই? যেখানে ট্রেন পাওয়া গেছে তার আশেপাশের বিস্তর এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ডুবন্ত জাহাজ তো দূরে থাক, ভাঙা জাহাজের কোনো লোহালক্কড়ও পাওয়া যায়নি।

আরেকটি ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ট্রেনগুলো বোস্টন থেকে জাহাজে করে আটলান্টিক উপকূলের কোনো দেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। হয়ত পথে জাহাজটি কোনো সমস্যায় পড়ে। আরেকদলের অভিমত, পরিবহনের সময় জাহাজটিতে ত্রুটি দেখা দিলে হয়ত ডুবে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচতে ট্রেন পানিতে ফেলে দেওয়া হয়।

মজার ব্যাপার হলো, দুটি ট্রেনই পানির তলদেশের মাটিতে ঠিক চলন্ত ট্রেনের মতো বসানো ছিল। ইঞ্জিন এবং বগির চাকাগুলো ছিল মাটিতে। যেন যাত্রীর অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে। সময় হলেই ছেড়ে দেবে! -গ্রুজ ডটকম

Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

19 + 9 =