Templates by BIGtheme NET
Home / slider / ২ বছরে ১১ জনকে বিয়ে করে স্বামীদের সর্বস্ব লুট তরুণীর, অতঃপর…!

২ বছরে ১১ জনকে বিয়ে করে স্বামীদের সর্বস্ব লুট তরুণীর, অতঃপর…!

Loading...

দুই বছর আগে একটি ভারতীয় সিনেমায় ডলিরূপী সোনম কাপুরের ‘কাজ’ই ছিল বিয়ে করা এবং ফুলসজ্জার রাতেই স্বামীর সর্বস্ব লুট করে গায়েব হয়ে যাওয়া। বাস্তবেও এবার খোঁজ মিলল তেমনই এক ‘ডলির’।

যিনি ১১ জনকে বিয়ে করে তাদের সর্বস্ব লুট করে গায়েব হয়েছেন। আর এ কাজ করতে তরুণীকে সাহায্য করেছেন তার আসল স্বামী! ১১তম ঘটনার পর পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন ওই দম্পতি।

ঘটনাটি ঘটেছে থাইল্যান্ডে। প্রতারিত হয়ে এবং টাকা খুইয়ে একে একে ওই ১১ স্বামীই পুলিশের দ্বারস্থ হন। আলাদা আলাদা অভিযোগে তদন্তে নেমে পুলিশ বুঝতে পারে কোনো একটি বা দুটি নয়, ১১ জনকে একইভাবে বোকা বানিয়েছেন তরুণী। ফেসবুক অনুযায়ী যার নাম জারিয়াপর্ন নামন বুয়াই। গেল বৃহস্পতিবার রাতে ওই তরুণীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধরা পড়েন তার আসল স্বামী থিতিরাট নঙ্ঘাপিটকও।

পুলিশ জানিয়েছে, স্বামীর সঙ্গেই এসব কাণ্ডের ছক কষতেন তিনি। তাদের কাছ থেকে ৯০ হাজার ডলারেরও বেশি অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, ফেসবুকের মাধ্যমেই যুবকদের টার্গেট করা হতো। প্রথমে অচেনা কোনো যুবকের সঙ্গে ফেসবুকে বন্ধুত্ব করতেন ওই তরুণী। মাস গড়াতে না গড়াতেই প্রেমের প্রস্তাব দিতেন। ফাঁদে পা দিলেই আরও বেশি ঘনিষ্ঠ হতেন ওই তরুণী। ঠিক যেমন হয়েছিল প্রাসার্ন নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে। প্রাসার্নের সঙ্গে একটি রিসোর্টে দেখা করেন ওই তরুণী। তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কয়েক মাস পর প্রাসার্নকে ওই তরুণী জানান যে তিনি অন্তঃসত্ত্বা। বিয়েতে রাজিও হয়ে যান প্রাসার্ন। বিয়ের জন্য ওই তরুণীকে ৬ হাজার ডলার পণ দেন প্রাসার্ন। বিয়ের সময় কনেকে পণ দেয়াটাই রীতি থাইল্যান্ডে। প্রাসার্নের অভিযোগ, বিয়ের দুদিন পর তরুণী জানান, তিনি পারিবারিক ব্যবসায় সাহায্যের জন্য নিজের গ্রামে যেতে চান। তারপর আর ফেরেননি।

ঠিক এভাবেই বাকি যুবকদের সঙ্গে বন্ধুত্ব, বিয়ে এবং তার কয়েক দিনের মধ্যে অন্য কোনো অজুহাতে বিয়েতে দেয়া পণ নিয়ে ফের লাপাত্তা। এভাবেই গত দুই বছরে ১১ জনকে ঠকিয়েছেন তিনি। কারও থেকে ৬ হাজার ডলার পণ নেন তো কারও থেকে ৩০ হাজার ডলার। এই ১১ জন ছাড়াও ওই তরুণী আর কাউকে প্রতারণা করেছেন কিনা তা জানতে তদন্তে নেমেছে দেশটির পুলিশ।

Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

two + three =