ফেনী-৩ আসনে তরুনদের পছন্দের প্রার্থী প্রকৌশলী এনায়েতুর রহমান

Loading...

আজকের সময় প্রতিবেদক : ফেনী-৩ আসনটিকে একটি ভাগ্যবিড়ম্বিত জনপদ হিসেবে মনে করেন ফেনীর সচেতন মহল। কারণ স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে এই অঞ্চলের মানুষ আজ পর্যন্ত সুশিক্ষিত, মার্জিত এবং আধুনিক বিজ্ঞানমনষ্ক জনপ্রতিনিধি পায়নি।

দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারন হয় জাতীয় সংসদে।সেখানে তারাই যাওয়া উচিৎ যারা এলাকাবাসীর পরিক্ষীত,বিশ্বস্ত এবং নিবেদিত প্রাণ।  যাদের ত্যাগ আর অর্থে দল টিকে থাকে;যারা সৎ,সুশিক্ষিত,  পরিশ্রমী,দেশপ্রেমিক, সমালোচনার উর্দ্ধে, ত্যাগী, জনবান্ধব, তৃণমূল নেতাদের ভরসা যোগায় এবং পাশে দাঁড়ায়। উপর্যুক্ত বৈশিষ্ট্যাবলী সম্পন্ন এমন একজনকে উক্ত আসনে নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে যোগ্য বলে মনে করেন তরুন প্রজন্ম।

যিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (BUET) থেকে বি. এস. সি (মেকানিকাল ইঞ্জিয়ারিং) ডিগ্রী প্রাপ্ত। তিনি ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ  সড়ক ও জনপথ বিভাগে যোগদান করেন এবং পরে সে বিভাগের কারখানা সার্কেল(ঢাকা) হইতে ২০১৪ সালে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে সুনামের সহিত অবসর গ্রহন করেন। ছাত্রজীবনে তিনি ছাত্ররাজনীতির সহিত যুক্ত ছিলেন। উল্লেখ্য ছাত্র অবস্থায় BUET এর কাজী নজরুল ইসলাম হলের নির্বাচিত সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন।

যিনি ফেনী জেলার অহংকার ও দেশের প্রখ্যাত প্রকৌশলী। যিনি সবার কাছে সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।যিনি ফেনী জেলার “সোনালী” সন্তান, ফেনী-৩ দাগনভূঞা-সোনাগাজী আসনের গরীব-দুঃখী মেহনতি মানুষের আপনজন। পর্দার আড়ালে মানুষের সেবা করাই যার মূল লক্ষ্য,এই মহৎ মানুষ আর কেউ নন, তিনি হচ্ছেন প্রকৌশলী এনায়েতুর রাহ্‌মান।

তার জন্মস্থান দাগনভূইয়ার সেকান্দর পুরের মিনাগাজী ভূইয়া বাড়ি। বাবার নাম শেখ আহমদ। বাবা মায়ের বড় সন্তান।  পরিবারে রয়েছেন। ৩ ভাই এক বোন আছেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি দুই ছেলে,এক মেয়ের পিতা।

যিনি শত শত মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন। এলাকার মানুষের বেকারত্ব নিয়ে প্রায় চিন্তিত থাকেন। সাধ্যের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে চেষ্টা করে আসছে মানুষের কর্মসংস্থানের জন্য আজ অবধি। তারই ফলশ্রুতিতে শত শত মানুষ আজ তার নিজের এবং পরিবারের ভরণ-পোষণ এর ব্যবস্থা করতে পারতেছে।

দাগনভূঞায় এম. জি. বি. কিন্ডার গার্টেন নামে একটি অলাভজনক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি বৃহত্তর নোয়াখালী জেলায় সুনামের সহিত অদ্যাবধি সুষ্ঠ শিক্ষাব্যবস্থা চালু রেখেছে। এখান থেকে পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীরা আজ অনেকে প্রকৌশলী, চিকিৎসক, ফার্মাসিস্ট এবং দেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে রয়েছে। উল্লেখ্য একবার সন্ত্রাসী কর্তৃক প্রতিষ্ঠানটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল তবুও তাহার নিজস্ব  প্রচেষ্টা এবং শ্রমের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি পুনারায় স্বমহিমায় চালু রয়েছে আজ অবধি।

রামনগর কেএমসি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র বাবর উদ্দিন আজকের সময় কে বলেন, স্যাথানীয়র দানের সাথে মাইকেল মদুসূধন দত্তের দানের তুলনা করা চলে, অর্থাৎ উনার কাছে কেউ আর্থিক সাহায্য চাইলে উনি পকেটে হাত দিলে যা উঠে তাই গ্রহিতাকে দিতেন। অাল্লাহ তাকে ধন-সম্পদের সাথে পর উপকারী একটা মনও দিয়েছেন। তিনি অসংখ্য মসজিদ আর মাদ্রাসাতে দান করেছেন।

Loading...

তিনি সুদীর্ঘ সময় রামনগর খাজা মাঈন উদ্দীন চিশতী (র.) উচ্চ বিদ্যালয়ের বিদ্যোৎশাহী  ছিলেন। শেখ আহমদ বৃত্তি ফাউন্ডেশন এর দাতা সদস্য

ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ার্স (IEB) এর সম্মানিত আজীবন সদস্য। ঢাকাস্থ ফেণী জেলা সমিতির আজীবন সদস্য।  IEB এর অংগ সংগঠন ERC এর আজীবন সদস্য।

অবহেলিত ফেনী -৩ আসনের জনগন এমন একজন পরোপকারী আধুনিক বিজ্ঞানসম্পন্ন অভিভাবক পেলে নিঃসন্দেহে উপকৃত হব। বাংলাদেশ পৃথিবীর বুকে একটি উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে এবং দেশের মধ্যে সবচেয়ে উন্নত আসন ফেনী-৩ আসন হিসেবে প্রতিষ্ঠা হোক এটাই  আমাদের প্রত্যাশা।

প্রকৌশলী এনায়েতুর রহমান আজকের সময় কে জানান, মানুষকে সহযোগিতা করে বিনিময়ে আমি কিছু পেতে চাই না। ছাত্রজীবন থেকে সাধারন মানুষের পাশে আছি থাকবো। জীবনের শেষ সময়ে দাগনভূঞা ও সোনাগাজীর অবহেলিত জনপদের মানুষদের পাশে থাকতে চাই।

ভিডিওটি দেখতে নিচে ক্লিক করুন

Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*