এমিরেটস এয়ারলাইন্সের যাত্রী সেবার নমুনা!

Loading...

এমিরেটস এয়ারলাইন্সের যাত্রী সেবা তলানীতে গিয়ে ঠেকেছে। বাংলাদেশ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এমিরেটসের ফ্লাইটগুলোতে খাবার দেয়া হয় নিম্নমানের। এনিয়ে কেবিন ক্রুদের কাছে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাওয়া যায় না। বলা হয়, স্যার বিষয়টি সম্পর্কে আমরা কর্তৃপক্ষকে জানাবো। এরপর আর কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয় না।
এমিরেটস এয়ারলাইন্সে ভ্রমণকারী একাধিক যাত্রীর সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, খাবার সরবরাহের ক্ষেত্রে দায়সারাগোছের আচরণ করা হয়। খাবারের মান খুবই নিম্নমানের। অনেক ক্ষেত্রে খাবারের মধ্যে প্লাস্টিক পাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। এনিয়ে সংশ্লিষ্ট যাত্রীরা এমিরেটস এয়ারলাইন্সের অফিসে ফোন করে বা ই-মেইল পাঠিয়েও কোনো জবাব পাচ্ছেন না। গত ১৮ই জুন যুক্তরাজ্যের নিউক্যাসেল থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে আসেন এক যাত্রী। সেখান থেকে ইকে-০৩৬ ফ্লাইটে করে তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। তার সিট নাম্বার ছিলো ১৮ এইচ। তিনি ওইদিন রোজা ছিলেন। ইফতারের জন্য তাকে যে খাবার দেয়া হয় তার মধ্যে ছিল প্লাস্টিকের টুকরো। প্লাস্টিকের ওই টুকরো তার গলায় আটকে যায়। তিনি অনেক কষ্টে তা গলা থেকে বের করেন। এ বিষয়ে তিনি কেবিন ক্রুদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। দুই কেবিন ক্রু সাময়িক দুঃখ প্রকাশ করে তাকে জানান, দুই সপ্তাহের মধ্যে এ ব্যাপারে তাকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে। ওই যাত্রী বলেন, ওইদিন সারাক্ষণ আমার বমি ববি ভাব হতে থাকে। আমি কিছুই খেতে পারিনি। পুরোটা সময় আমাকে না খেয়েই থাকতে হয়। এমিরেটস কর্তৃপক্ষ ক্ষতিপূরণ দেয়াতো দূরের কথা দুঃখ প্রকাশ করে আজ পর্যন্ত কোন ই-মেইলও করেনি। বরং তাদের তিন-চার দফায় ই-মেইল পাঠিয়েও কোন জবাব পাওয়া যায়নি। একমাস পার হয়ে গেলেও এ ব্যাপারে তাদের কাছ থেকে সামান্যতম সহানুভূতিও পাওয়া যায়নি

ভিডিওটি দেখতে নিচে ক্লিক করুন

Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*