মাঠ সংস্কার না করেই রাজাপুরে বঙ্গবন্ধু ফুটবল খেলার আয়োজনে, অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ

Loading...

হারুনুর রশিদ মৃধা : অবহেলিত খানা খন্দ ঝুকিপূর্ন ফেনী দাগনভুঞা রাজাপুর স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্পকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করায় অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ। অভিবাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই সব কোমল মতি শিশুদের বয়স ১১-১২ বছর, এদের খেলার ফুটবলটি ছিল বিশেষ ধরনের আর বালকদের তুলনায় বালিকাদের বল অনেকটাই নরম ও কোমল ছিল। অতছ সামান্যতম মেরামত ছাড়াই ঝুকিপুর্ন মাঠে খেলতে হয়ে ছিল এই কোমল মতি শিশুদের। ১৮ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বালক ও বালিকা মিলে ৩৬ টি দল অংশ নেয় এই খেলায়। কিন্তু খেলার আগে সামান্যতম মাঠ সংস্কারের উদ্যোগ নেয় নি আয়োজক কমিটি। এ বিষয়ে আয়োজক কমিটির সভাপতি রাজাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাশেদুল হক বাবর বলেন, খেলার মাঠটি রাজাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের না, এটি রাজাপুর স্কুল এন্ড কলেজের মাঠ তাই মাঠটির বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করে মাঠটি বড় পরিসরে সংস্কারের দায়িত্ব রাজাপুর স্কুল এন্ড কলেজ কর্তৃপক্ষের। উপজেলা থেকে এই প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ভ্যেনু হিসেবে সিলেক্ট করেছে। আর আমি অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বলেই আমাকে খেলার আয়োজক কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। আমরা নিজেদের সমান্যতম খরছে খেলার আয়োজন করি। খেলা বা মাঠ সংস্কারের জন্য বড় কোন বাজেট ছিল না। তবে এটা সত্য মাঠটি এই সব কোমলমতি শিশুদের খেলার উপযোগি ছিল না। বড় কোন দুর্ঘটনা হতে পারতো, যাক ভালোই ভালোই খেলাটি শেষ হলো। তবে অত্র এলাকার এই ঐতিহ্যবাহী মাঠটি খেলার উপযোগি করে সংস্কার করা দরকার। অন্যদিকে মাঠ সংস্কারের উদ্যোগের কথা না শুনা গেলেও, হাট বাজারে শুনা যাচ্ছে মাঠ নিয়ে ষড়যন্ত্রের নানা গুঞ্জন। মাঠের চার পাশে দোকান হবে কে কোন পাশে দখল নিবে এই সব কথা বার্তায় সরগরম রাজাপুর বাজারের পাতি নেতাদের চায়ের আড্ডায়। রাজাপুর স্কুল এন্ড কলেজের পড়া লেখার মানউন্নয়ন, শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষকদের আন্তরিকতা, পুকুরের দক্ষিণ পাশে চারতলা ভবন, ডিগ্রি কলেজ করার প্রচেষ্ঠা সব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানটি অনেক দূর এগিয়ে গেলেও, অবহেলায় পড়ে আছে খেলার মাঠটি। এ বিষয়ে রাজাপুর স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোমিনুল হক বলেন, প্রতিষ্ঠান থেকে মাঠটি দুরে হওয়ায় মাঠ তদারকিতে একটু সমস্যা হচ্ছে। বাজারের ময়লা আর্বজনা ফেলা হচ্ছে মাঠে, মাঝে মাঝে মাঠে গাড়ি পার্কিং করতে দেখায়, মাঠের পরিধিও দিন দিন কমে যাচ্ছে, মাঠটি যদি স্কুলের সামনে হতো এ সব সমস্যা কঠোর হস্তে দমন করা হতো। তবে মাঠ নিয়ে যে যতই ষড়যন্ত্র করুক কোন লাভ হবে না, এটি স্কুল এন্ড কলেজের মাঠ। মাঠ সংস্কারের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, প্রতি বছর কুরবানীর গরুর হাট ইজারা বাবত টাকা ও মাঠের জন্য অন্যান্য চোটখাটো অনুদান স্কুলের উন্নয়ন ফান্ডে জমা আছে। কলেজের নতুন ভবনের কাজ, স্কুল ও কলেজ আলাদা করার বিষয়ে আমরা দৌড়াদড়ি মধ্যে আছি। ইতি মধ্যে মাঠ সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে মাঠ সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।

ভিডিওটি দেখতে নিচে ক্লিক করুন

Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*