Templates by BIGtheme NET
Home / slider / আগামী কয়েক বছরে ওষুধ রপ্তানিতে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ

আগামী কয়েক বছরে ওষুধ রপ্তানিতে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ

Loading...

বিশ্বকাপে এখন যেমন বাংলাদেশের জার্সি গায়ে খেলোয়াড়রা মাঠে নামে তেমনি   আগামী দিনে বাংলাদেশের ওষুধ ব্যবহার হবে খেলোয়াড়দের সারিয়ে তুলতে। এভাবেই ওষুধ শিল্পের সম্ভাবনার কথা বলেছেন জেনারেল ফার্মাসিউটিক্যালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড.মমিনুল হক। একই সূরে কথা বলছেন ভারতের ফার্মাসিউটিক্যাল এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বি আর সিক্রি। তিনি বলেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই ওষুধ রপ্তানিতে বাংলাদেশ প্রতিপক্ষ হয়ে উঠবে ভারতের।

আগামী ২০১৮-১৯ সালের প্রস্তাবিত বাজেটে ওষুধ শিল্পকে  বিশেষ সুবিধা দেয়া হয়েছে। ওষুুধের কাঁচামাল উৎপাদনকারী  কোম্পানিকে দেয়া হয়েছে ২০৩২ সাল পর্যন্ত ট্যাক্স মওকুফের সুবিধা। ওষুধের কাঁচামাল আমদানিতে দেয়া হয়েছে শুল্ক ছাড়। মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় গড়ে তোলা হচ্ছে এপিআই পার্ক। সেখানে ওষুধের কাঁচামাল উৎপাদকারী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হচ্ছে। তাছাড়া ২০৩২ সাল পর্যন্ত বিশ্ববাজারে রয়েছে  বাংলাদেশি ওধুষের শুল্ক রেয়াতে রপ্তানির সুবিধা। বাজেট ভাষণে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের ওষুধ এখন বিশ্বের ১৬০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। আগামী দিনে দেশেই উৎপাদিত হবে ওষুধের কাঁচামাল।

জেনারেল ফার্মাসিউটিক্যালের এমডি জানান, বর্তমানে ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীন  থেকে ওষুধের কাঁচামালএরপর পৃষ্ঠা ২, কলাম

(প্রথম পৃষ্ঠার পর)  আমদানি করা হয়।  বাংলাদেশে এপিআই কারখানা চালু হচ্ছে তখন আর বিদেশ থেকে কাঁচামাল আনতে হবে না। ওষুধ সাশ্রয়ী হবে। বিদেশেও কম মূল্যে ওষুধ রপ্তানি করা যাবে। এখানকার সস্তা শ্রমের উৎপাদিত, কম মূল্যের মানসম্পন্ন ওষুধ বিদেশের বাজার দ্রুত দখল করতে পারবে। তিনি জানান, দেশে বর্তমানে ৫ হাজার ব্রান্ডের ৮ হাজারেরও বেশি ওষুধ উৎপাদিত হয়। বিদেশে রপ্তানি হয় ২ হাজার ২০০ কোটি ডলারের ওষুধ।  দেশের মধ্যে বিক্রি হয় প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকার ওষুধ। ওষুধ শিল্পের গড় বৃদ্ধি বছরে ১৫ শতাংশ।

শিল্প মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, দেশে ১৫০টি ওষুধ কারখানা রয়েছে। এরমধ্যে ২১টি কারখানা মোট ওষুধের ৮৫ শতাংশ উৎপাদন করে।

এ ব্যাপারে বাণিজ্য সচিব শুভাশিষ বসু জানান,৮০ দশকে শুরু হওয়া বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প  বিশ্ববাজারে স্থান করে নিয়েছে।  বর্তমানে গার্মেন্টস পণ্যের উপর যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে। ফলে গার্মেন্টসে লাভের পরিমাণ কমেছে। তাছাড়া সস্তা শ্রম ও জ্বালানি খরচ কম হওয়ায় বাংলাদেশের  গার্মেন্টস দ্রুত অন্য প্রতিযোগীদের সহজেই হারাতে পেরেছিল। এখন এটি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠতে পারে। সেক্ষেত্রে ওষুধ হলো বাংলাদেশের আগামী দিনের প্রধান রপ্তানি পণ্য। আশা করা যায় আগামী কয়েক বছরের মধ্যে রপ্তানিতে গার্মেন্টসকেও ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প।

Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

three × 4 =