Templates by BIGtheme NET
Home / slider / ট্রুডো ইঁচরেপাকা, বিশ্বনেতারা ডাকাত : ট্রাম্প

ট্রুডো ইঁচরেপাকা, বিশ্বনেতারা ডাকাত : ট্রাম্প

Loading...

জি-৭ এর বৈঠক নিয়ে বিশ্ব নেতাদের সাথে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চলছে তুমুল বচসা। বৈঠক শেষে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে অসৎ এবং ইঁচরেপাকা বলে আক্ষা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রুডো সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপারে ভুল বক্তব্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ট্রাম্প। শুধু এই বলেই ক্ষান্ত থাকেননি ট্রাম্প। তিনি জি-৭ ভুক্ত অন্য নেতাদের ডাকাত আখ্যা দিয়েছেন!

ট্রাম্প ও তার দেশকে নিয়ে অপমানজনক বক্তব্যের জন্য ট্রুডোকে তিনি অসৎ এমনকি পুঁচকে ছেলে তথা ইঁচরেপাকা মানুষ হিসেবেও আখ্যা দিয়েছেন। তার প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্টের উষ্মা এতই বেশী যে, জি-৭ সম্মেলনের প্রজ্ঞাপণে স্বাক্ষর না করারও হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প।

শনিবার সম্মেলন শেষে একটি টুইট বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ‘ট্রুডো আমাদের সম্পর্কে আজেবাজে কথা বলছেন। তিনি আমাদের কৃষক, শ্রমিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর বড় আকারের করারোপকে উদ্বুদ্ধ করছেন। তারা যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ি শিল্পের ওপর করারোপ করায় আমাদের প্রতিনিধিদের জি-৭ এর প্রজ্ঞাপণে সই না করতে নির্দেশ দিয়েছি।’

দ্বিতীয় আরেকটি টুইটে জানান, ‘ট্রুডো আসলে ন¤্র ও ভদ্র আচরণের অভিনয় করে। সে মুলত আমাদের ভাল সম্পর্ক চায় না তাই তারা যে পরিমাণ করারোপ করেছে তাতে আমাদের আপত্তি তাদের পছন্দ নয়। আমরা করারোপ করলেই সমালোচনা কিন্তু তারা আমাদের থেকে ২৭০শতাংশ শুল্ক আদায় করছে।’

স্টিল ও অ্যালুমিনিয়াম শিল্পের ওপর করারোপ নিয়ে বিশ্ব নেতাদের উদ্দেশ্যে মন্তব্য করতে গিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন ‘ডাকাতি বন্ধ করুন।’ তিনি অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী ধনী দেশগুলোর সংগঠন গ্রুপ অব সেভেন (জি-৭) এর সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ট মিত্রদের সাথে বাণিজ্য বিরোধ নিরসনের প্রত্যাশা করেছিলেন। যদিও তিনি নিজেই কানাডা, ইউরোপিয় ইউনিয়ন ও মেক্সিকোর ওপর করারোপ করে বাণিজ্য যুদ্ধের সূচনা করেছেন।

ট্রাম্প টুইটারে নিয়ে লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর করারোপ করে কথিত মিত্র দেশগুলো আমাদের থেকে প্রচুর অর্থ নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আমরা করারোপ করলেই কেবল বিতর্ক।’ যুক্তরাষ্ট্রকে ‘মাটির ব্যাংক’ মনে করে তারা এখান থেকে প্রতিনিয়তই ডাকাতি করে নিয়ে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প।

তিনি একরকম ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, ‘আপনারা কি চান আমরা আপনাদের শুল্কমুক্ত ব্যবসা করতে দেই? আপনারা কি আমাদের সাথে বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা আসলেই কমাতে চান? তাহলে আপনারা যেটা করছেন তা অস্বচ্ছ ও অন্যায়। যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর অন্যদের করারোপ যদি সঠিক হয় তাহলে আমাদের সিদ্ধান্তও সঠিক। আমরা মিত্র দেশগুলোর সাথে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চাই ও সকল প্রতিবন্ধকতা হ্রাস করতে চাই।’ বিবিসি, সিএনবিসি, ফক্স

Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

14 − 1 =