Templates by BIGtheme NET

অবৈধ সম্পর্কের পরিণতি

Loading...

আজ সমাজে শুরু হয়েছে নারী পুরুষের অবাধ চলাফেরা। প্রেম ভালোবাসার অবৈধ সম্পর্কে সমাজের যুবক যুবতীরা জড়িয়ে পড়েছে। তরুণ-তরুণীর আবেগের সাথে ইসলামের রূপ পরিবর্তনশীল নয়।

ইরশাদ হচ্ছে, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা পরিপূর্ণ ভাবে ইসলামের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাও এবং শয়তানের পথ অনুসরণ করো না। নিশ্চয় সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।” (সূরা বাকারা -২০৮)। নারী মুক্তি আন্দোলনের অনুগামী যারা স্বীয় জ্ঞান ও যোগ্যতার গবির্ত হয়ে দম্ভভরে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আদেশ নিষেধ অমান্য করে বেড়াচ্ছেন,তাঁরা কি বুঝেন আনুগত্য-শৃংখলা, সুখ-শান্তির অন্যতম শর্ত। স্বামীর অর্ধাঙ্গিণী স্ত্রীকে আল্লাহ তায়ালা তাঁর ও তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আনুগত্য তার পর তার স্বামীর আনুগত্য করার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে। অধর্ম অশ্লীলতায় কোন আনুগত্য নেই। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ তায়ালা ছাড়া অন্য কাউকে সেজদা করা যদি জায়েজ হতো তাহলে তিনি স্ত্রীকে আদেশ করতেন তার স্বামীকে সেজদা করার জন্য” (আবু দাউদ শরীফ)। আধুনিক সমাজে নারীরা আনুগত্য শৃংখল ও শালীনতাকে উপেক্ষা করে কাজ-কর্ম করে সুখ-শান্তি তালাশ করে, কিন্তু সুখ-শান্তির পরিবর্তে সমাজে চরম অশান্তি নেমে আসছে। ইসলামের গন্ডি থেকে বের হয়ে কাজ-কর্ম করে হয়তো কোটি টাকা ও সুরম্য অট্রালিকার মালিক হয়ে ক্ষণস্থায়ী আরাম পাওয়া যায় কিন্তু চিরস্থায়ী জীবনতো একেবারে বরবাদ হয়ে যায়। ইরশাদ হচ্ছে, “আপনি তাদেরকে দেখেন না যারা আল্লাহর নেয়ামতকে পরিবর্তন করেছে কুফরে (অর্থাৎ উপার্জন পানাহার পরিধেয় জমি জমা বাড়ি ঘড় ইত্যাদি হালাল উপায়ের পরির্বতে হারাম উপায়ে করেছে এবং আল্লাহর বিধি-বিধান পরিত্যাগ করে নিজেরা বিধি-বিধান তৈরী করে নিয়েছে) এবং স্বীয় জাতিকে ধ্বংসের আলয়ের সম্মুখিন করেছে, প্রজ্জ¦লিত জাহান্নামের? আর সেটা অতি নিকৃষ্ট আবাসস্থল”। (আল-কোরআন :১৪: ২৮-২৯)। মহানবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াছাল্লাম) বলেছেন, দাইয়্যুস (যে ব্যক্তি তার নারীর কাছে পর পুরুষের যাতায়াত আলাপ-সালাপ ও মিলা -মিশা আপত্তিজনক বলে মনে করে না, সেই ব্যক্তি) কখনো বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে না। (তিরমিজী শরীফ) ওই নারীরা যারা (মিহিন কাপড় পরে বা দেহের কিছু অংশ অনাবৃত রেখে) কাপড় পরিহিতা অবস্থায়ও উলঙ্গ, (রূপসজ্জাও অঙ্গ ভঙ্গি দ্বারা কিংবা অর্ধ উলঙ্গ হয়ে) লোকদের আকৃষ্ট করে এবং নিজেরাও আকৃষ্ট হয় তাদের (স্বীয় কিংবা কৃত্রিম কেশের কারী বিশিষ্ট) মাথা উটের ফুজের ন্যায় দেখায়, তারা বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে না, এমন কি তারা বেহেশতের ঘ্রাণও পাবে না। (মুসলিম শরীফ)।

Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

three × two =