Templates by BIGtheme NET
Home / slider / নবী ইবরাহীম (আ.) এর খা‌দ্য মুজেজা

নবী ইবরাহীম (আ.) এর খা‌দ্য মুজেজা

Loading...

মুসলিম জাতির পিতা হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম। তাঁর আগমনের সময় তৎকালীন বাদশাহ ছিল নমরুদ। নমরুদ ছিল অত্যাচারী শাসক। সে হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামকে আগুনের কুণ্ডলিতে নিক্ষেপ করেছিলেন।

হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের দাবির কাছে নমরুদ নিরুত্তর হয়ে গিয়েছিল। সে সময় চরম দুর্ভিক্ষ চলছিল। জনগণ নমরুদের কাছে খাদ্য-শস্য নিতে আসত। হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামও নমরুদের কাছে যান। সেখানে নমরুদের সঙ্গে তার বিতর্ক হয়। বিতর্কে নমরুদ হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের কাছে হেরে যায়।

ফলে পাপাচারী নমরুদ তাঁকে খাদ্য-শস্য না দিয়ে বিদায় করে দেয়। হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম শূন্য হাতে বাড়ির দিকে রওয়ানা হয়। বাড়ির কাছাকাছি এসে তিনি দু’টি বস্তায় বালি ভরে নেন; যাতে বাড়ির লোকজন মনে করে যে, তিনি কিছু নিয়ে এসেছেন।

বাড়িতে পৌঁছেই বালি ভর্তি বস্তা দুটি রেখে হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম ঘুমিয়ে পড়েন। তাঁর স্ত্রী বিবি সারা বস্তা দুটি খুলে দেখেন যে, বস্তা দুটি উত্তম খাদ্যে পরিপূর্ণ। তিনি তা দিয়ে খাবার প্রস্তুত করেন।

হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম ঘুম থেকে ওঠে দেখেন যে, খাবার প্রস্তুত। তিনি স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করেন, খাদ্য-দ্রব্য কোথা থেকে এসেছে? স্ত্রী উত্তরে বলেন, ‘আপনি খাদ্যপূর্ণ যে বস্তাদুটি এনেছিলেন, সেখান থেকেই এ খাবারগুলো বের করেছি।’

হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম বুঝে নেন যে, আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকেই এ বরকত লাভ হয়েছে। এটা তার প্রতি মহনি প্রতিপালকের মহা অনুগ্রহ ও করুনার পরিচায়ক।

আল্লাহ তাআলা এভাবেই তার প্রিয়বান্দাদের কুদরতিভাবে সাহায্য করে থাকেন। যা দুনিয়ার মানুষের দ্বারা সম্ভব নয়। হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের প্রতি আল্লাহর এ সাহায্য মুসলিম উম্মাহর জন্য বিপদে ধৈর্য ধারণের উত্তম শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা।

এ কারণেই বুজুর্গ ব্যক্তিগণ বলেছেন, ‘মান লাহুল মাওলা; ফালাহুল কুল’ অর্থাৎ ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর হয়ে যায়; (দুনিয়ার) সবকিছু তার জন্য হয়ে যায়।’ এটা প্রিয় বান্দার প্রতি মহান প্রভুর একান্ত অনুগ্রহ। সূত্র: কাসাসুল আম্বিয়া

Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

3 × four =