Templates by BIGtheme NET
Home / slider / জ্যোতিষীর চোখে নতুন বছর

জ্যোতিষীর চোখে নতুন বছর

Loading...

নতুন বছর ২০১৮ সালে সরকার হটানোর আন্দোলন ও কর্মসূচি সফল হবে না। বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে হরতালসহ নানান কর্মসূচি দিলেও সাধারণ মানুষ এতে আশাব্যঞ্জক সাড়া দেবে না। নতুন বছরে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বিচারাধীন মামলার রায় হতে পারে। বছরের বেশির ভাগ সময় দেশে বিরাজ করবে নির্বাচনের পরিবেশ। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে শুরু হবে ভাঙা-গড়ার খেলা। থাকবে নতুন নতুন জোট গঠন ও ভাঙনের ঘটনা। কোনো কোনো নেতার দলবদল বহুল আলোচিত ঘটনা হবে।

বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে তবে ফল ঘরে তুলতে পারবে না। এদিকে বিচ্ছিন্ন কিছু সহিংস এবং হামলার ঘটনা সফলভাবে মোকাবিলা ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ সফলভাবে শেষ করতে পারায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের জনপ্রিয়তা বাড়বে। চলমান রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের দিকে এগোবে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন শুরু হবে। দাতাসংস্থার সঙ্গে সরকারের বিদ্যমান সম্পর্ক নতুন দিগন্তের পথ দেখাবে। পাশাপাশি কূটনৈতিক সফলতাও বাড়বে। জ্যোতিষীর মতে ২০১৮ সাল হবে বাংলাদেশের জন্য সফলতার বছর। ব্যবসা ও শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ আরও বাড়বে। বছরের মাঝামাঝি ঘুরে দাঁড়াবে শেয়ারবাজার। এ বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বন্যা, ভূমিকম্প, অতিবৃষ্টিতে প্রাণ ও শস্যহানির আশঙ্কা রয়েছে। তবে যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। আমদানি বাণিজ্য আরও বৃদ্ধি পাবে। উগ্র জঙ্গিগোষ্ঠীর তৎপরতা কম থাকলেও কয়েকটি স্থানে বোমা হামলার মতো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতে পারে। দেশে হরতাল, অবরোধের মতো কর্মসূচি আসতে পারে। এ ছাড়া রাজনৈতিক অঙ্গনে দেখা দেবে নানা জটিলতা।

জ্যোতিষীরা আরও বলছেন, জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত থাকবে রাজনৈতিক স্থিরতা। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বছরের শুরুতে রাজনীতির মারপ্যাঁচে পিছিয়ে পড়ে আন্দোলনের নতুন ডাক দিতে পারেন। এ ডাকে সাধারণ মানুষের তেমন একটা অংশগ্রহণ থাকবে না। বছরের মাঝামাঝি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বেগম জিয়ার ডাকে সাড়া দিয়ে আন্দোলন শুরু করতে পারে। এ ছাড়া বিএনপি জোটের কিছু শরিক দলের নেতাদের দল ভাঙার কারণে এ জোট কিছুটা ক্ষতির মুখেও পড়তে পারে।

গতকাল দেশের বিশিষ্ট তিন জ্যোতিষ ড. কে সি পাল, জ্যোতিষরাজ লিটন দেওয়ান চিশতি ও ড. রামপ্রসাদ ভট্টাচার্য্যের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। জ্যোতিষরাজ লিটন দেওয়ান চিশতি বলেন, বর্তমান সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত কিছুটা সহিংস রূপ নিতে পারে। জুনে পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হয়ে আসতে পারে। জুলাই থেকে সারা দেশে বিরাজ করবে নির্বাচনী পরিবেশ। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নির্বাচনের ঘোষণা আসতে পারে। দেশের সার্বিক উন্নতি বিগত বছরের তুলনায় আরও বৃদ্ধি পাবে। ফলে বিদেশে সরকারের সুনাম ও গ্রহণযোগ্যতা আরও বেড়ে যাবে। বিদেশি দাতা ও সাহায্য সংস্থাগুলো সহযোগিতা বাড়িয়ে দেবে। তিনি বলেন, এ ছাড়া বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে মামলায় রায় হতে পারে। জ্যোতিষ ড. রামপ্রসাদ ভট্টাচার্য্যের মতে, নতুন বছরের শুরুতে এক জোট ত্যাগ করে অন্য জোট গঠনসহ রাজনীতির নানা ক্ষেত্রে নতুন মেরুকরণ হতে পারে। মে মাসের পর বিএনপিপন্থি রাজনৈতিক জোটে কিছুটা বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে বেগ পেতে হবে খালেদা জিয়াকে। এ ছাড়া ২০১৮ হবে দেশের তিন প্রধান রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি পালনের বছর। তিনি বলেন, নতুন বছরের শুরুতে আসন্ন নির্বাচন ও রাজপথের আন্দোলনের সাফল্য নিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে মানসিক চাপে ফেলতে পারে তার প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। অতীতের মতো সুবিধাবাদী গুটিকয় লোক তার পাশে তৎপর থাকবেন। ফলে দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি ঘটতে পারে। এ বছরও তারেক রহমানের দেশে ফেরা অনিশ্চিত থাকবে। তার বিরুদ্ধে থাকা কয়েকটি মামলায় রায় হতে পারে। জ্যোতিষ ড. কে সি পাল বলেন, তুচ্ছ কারণে সহিংস রাজনৈতিক কার্যকলাপ কিছুটা বেড়ে যাবে। সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকার ও বিএনপির মধ্যকার দূরত্ব কিছুটা কমতে পারে। বছরের শুরুতে বিএনপি আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করবে। তবে আন্দোলন করে দাবি আদায় করার সুযোগ কম থাকবে। বাংলাদেশ প্রতিদিন

Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

4 + seventeen =